পৃথিবীর শেষ দিন এলে কী করবে? সাহস হারাবি না, নিজেকে লুকিয়ে রাখ— ভয় পাবি না! — এক অজানা ছায়াবাজের উপদেশ।
ভারী কাঁচের দরজা ঠেলে খুলতেই, ঠান্ডা শরতের হাওয়া ভেতরে ঢুকে পড়ল। ঘরটি ছোট, আলো কিছুটা ক্ষীণ। বাতাসে ধোঁয়ার গন্ধ। বার কাউন্টারের পেছনের মালিক মাথা তুলে সামনের চারজনের দিকে তাকাল। তার চোখ কিছুটা ক্ষীণ, যেন পৃথিবীর সব কিছু দেখে ফেলেছে।
সামনের লোকটি বার কাউন্টারে হাত রেখে কিছুটা কর্কশ গলায় জিজ্ঞেস করল, "কত?"
বার মালিক একটি সিগারেট জ্বালালেন। ধোঁয়ার আড়ালে তার মুখ অর্ধেক ঢাকা পড়ে গেল। তিনি পাঁচ আঙুল দেখালেন। কথা বলার দরকার নেই। এখানে আসা সবাই নিয়ম জানে।
চারজনও নিয়ম জানে। কিন্তু তারা কিছুটা দ্বিধায় পড়ল। সামনের লোকটি সামনে ঝুঁকে নিচু গলায় জিজ্ঞেস করল, "চারজন। একজন সনাক্তকরণ কার্ড নেই। যেতে পারবে?"
বার মালিকের চোখে আলো জ্বলল। "পারবে। ছোট কক্ষ ছয় টাকা।"
"ঠিক আছে।" বলে তিনি দুটি নোট বার কাউন্টারে ফেলে দিলেন। "একটি ত্রিশ টাকা, আর চার বোতল কোলা।"
এ সময় ঘরের ধোঁয়া কিছুটা কমল। বোঝা গেল চারজনই বিশের কোঠায় যুবক। এইমাত্র কথা বলা যুবকের নাম চু ঝেং। তার চোখে ধাতব ফ্রেমের চশমা, মুখ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। কয়েক বছর কাজ করলেও তার মধ্যে পড়ুয়ার ভাব এখনো আছে।
এ সময় চারপাশের আওয়াজ ভেসে এল—"মারো, মারো, আমার কাছে ৯৮কে আছে।" "ভয় কী, স্কুলে নামো, সেখানেই লড়ব।" "আরে, এই ইয়াসুওকে মারো।" "ডেমাসিয়া! ইয়ামেটে!" (এখানে কিছু অদ্ভুত কথাও ঢুকেছে похоже)
চারজন অভ্যস্তভাবে ছোট কক্ষে ঢুকল। কম্পিউটার চালু করে সম্প্রতি সবাইকে মাতানো গেমটি খুলল—প্লেয়ার আননোনস ব্যাটলগ্রাউন্ডস।
"আরে, লাও চু, শুনে রাখ। শুরুতে আমেরিকান সার্ভার খেলতাম, কারণ সেখানে নতুনরা বেশি। এখন সব জায়গায় একই অবস্থা।" কথা বলছে দেখতে অন্তত ১০০ কেজির বেশি এক মোটা মানুষ। ত