খেলা বাস্তব জগতে নেমে এসেছে, অসংখ্য অজানা প্রাণী হঠাৎই পৃথিবীজুড়ে আবির্ভূত হয়েছে। মানবজাতি যখন অস্তিত্বের সংকটে, ঠিক তখনই পেশাগত ব্যবস্থা জেগে ওঠে—এখন প্রত্যেকেই পেশাজীবী হয়ে উঠতে পারে। সে সময়, স্
**ডংহাই সিটির প্রথম উচ্চ বিদ্যালয়, খেলার মাঠ।**
দ্বাদশ শ্রেণির সব শিক্ষার্থী এখানে জড়ো হয়েছে।
তাদের সবার দৃষ্টি মঞ্চের দিকে।
মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন কালো পোশাক পরা এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি। তার পাশে রাখা ছিল এক অদ্ভুত যন্ত্র।
যন্ত্রের চূড়ায় একটি ক্রিস্টাল বল। বলের ভেতর নানা ধরনের তাবিজ ভাসছিল, রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করছিল।
তার হাতে মাইক্রোফোন:
"শুভ বিকাল, সব শিক্ষার্থী। আমি আজকের জাগরণ অনুষ্ঠানের পরিচালক।"
"জাগরণ অনুষ্ঠান শীঘ্রই শুরু হবে। আশা করি সবাই নিজেদের কাঙ্ক্ষিত পেশা জাগ্রত করতে পারবে।"
...
"আমি কি অন্য পৃথিবীতে চলে এসেছি?"
মঞ্চের নিচে।
শু হান অবাক হয়ে চারপাশ তাকাল। কিছুক্ষণ কিছু বুঝতে পারল না।
স্মৃতি বন্যার মতো ভেসে আসতে লাগল।
মূল ব্যক্তির নামও ছিল শু হান।
এই জায়গার নাম ছিল ব্লু স্টার। পৃথিবীর মতোই, তবে পৃথিবীর চেয়ে কয়েকশ গুণ বড়।
কয়েক দশক আগে।
গেমের পৃথিবী আক্রমণ করে।
অগণিত অদ্ভুত জানোয়ার নিয়ে আসে, এমনকি পৌরাণিক দেবতা-অসুরও।
অদ্ভুত জানোয়ার এসে মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায়।
মাত্র ছয় মাসে।
মানব অঞ্চলের দুই-তৃতীয়াংশ দখল হয়ে যায়।
মানুষ ও অদ্ভুত জানোয়ারের যুদ্ধ চলতে থাকে দ্বিতীয় বছর পর্যন্ত। মানুষের মধ্যে পেশাদার যোদ্ধার আবির্ভাব ঘটে।
পেশাদার যোদ্ধারা অদ্ভুত জানোয়ার হত্যা করে গেমের মতো অভিজ্ঞতা ও অস্ত্র পায়। এতে তাদের শক্তি বাড়ে।
পেশাদার যোদ্ধাদের যোগদানে মানুষ অবশেষে অদ্ভুত জানোয়ারের সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম হয়। ধীরে ধীরে হারানো অঞ্চল ফিরে পায়।
শু হান-র চোখ চকচক করে উঠল।
জানে না সে কী শক্তিশালী পেশা পাবে?
সে-ও তো অন্য পৃথিবী থেকে এসেছে। কিছু সুবিধা তো পাবেই?